অতিরিক্ত ভুঁড়ি ও শরীরের ওজন দেহের কিছু পরিবর্তন আনে। ভুঁড়ির ভারে দেহের কোমর ভেতরের দিকে এবং বুক পেছনের দিকে যেতে থাকে। এতে ঘাড়েও অতিরিক্ত চাপ পড়ে। যখন ঘাড় ও কোমরের পেছনের মাংসপেশিতে অতিরিক্ত চাপ পড়ে তখন মাংসপেশি গুলো দিন দিন ক্লান্ত হয়ে পড়ে। যার ফলে ঘাড়ে ও কোমরের ব্যথা শুরু হয়। এমতাবস্থায় চলতে থাকলে একসময় মেরুদণ্ডের দুই পাশে যে সরু চিকন রাস্তা থাকে (স্পাইনাল ক্যানেল) যা দিন দিন চিকন হয়। ফলে স্নায়ুর ওপর চাপ পড়ে যার দরুন ব্যথা হাতে বা পায়ে চলে যায়। এক সময় হাত বা পা দুর্বল হয়ে পড়ে। একে বলা হয়...

